আমাদের সম্পর্কে
ক্বান্দে ফারসি উৎসব ও বাংলাদেশ-ইরান সাংস্কৃতিক সম্প্রীতির মেলবন্ধন
ক্বান্দে ফারসি উৎসবের পটভূমি
দীর্ঘকাল ধরে ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান সাংস্কৃতিক, বৈজ্ঞানিক ও সাহিত্যিক ভাষার মর্যাদা ভোগ করে আসছে। এ অঞ্চলের সংস্কৃতি, সাহিত্য ও মনন গঠনে এই ভাষা রেখেছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। ঐতিহাসিক তথ্যপ্রমাণ বলে, প্রায় ৬০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ফারসি ছিল সমগ্র উপমহাদেশ ও বাংলার তৎকালীন রাজদরবার ও প্রশাসনিক দাপ্তরিক ভাষা। হাফেজ, সাদি, মাওলানা রুমী, খৈয়াম ও ফেরদৌসি-এর মতো বিশ্বখ্যাত কবি ও মনীষীদের সাহিত্যকর্ম ও চিন্তাধারা আজ বাংলাদেশ ও ইরানের অভিন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হয়ে রয়েছে।
হাফেজ শিরাজীর অমর সেই পঙ্ক্তি:
«شکّرشکن شوند همه طوطیان هند
زین قند پارسی که به بنگاله میرود»"আজকে পাঠাই বাঙলায় যে ইরানের এই ইক্ষু-শাখা,
- কবি হাফেজ শিরাজী (সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহকে প্রেরিত ঐতিহাসিক গজল)
এতেই হবে ভারতের সব তোতার চঞ্চু মিষ্টিমাখা"
এই বাণীর অনুপ্রেরণাতেই আয়োজিত হতে যাচ্ছে বার্ষিক ‘ক্বান্দে ফারসি উৎসব’। বাংলাদেশ ও ইরানের এই যৌথ ঐতিহ্যকে উদযাপন এবং এ দেশে ফারসি ভাষা ও সাহিত্যকে আরও ছড়িয়ে দেওয়াই এই উৎসবের মূল লক্ষ্য।
আমাদের উদ্দেশ্য
প্রথম ক্বান্দে ফারসি উৎসব ২০২৬-এর মূল লক্ষ্য হলো সেই সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ও সাহিত্যিক উত্তরাধিকারকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা, বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের ফারসি গবেষক ও শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা এবং দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের মানুষের আত্মিক নৈকট্য জোরদার করা।
আয়োজক ও সহযোগিতায়
আয়োজক: সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান দূতাবাস, ঢাকা, বাংলাদেশ।
সহযোগিতায়: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ।
